গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ বেড়েছে। এদিকে এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে দেশটির রফতানি। বুধবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তবে একই সময়ে জ্বালানি তেলের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। খবর রয়টার্স।
ইআইএর তথ্যমতে, ১১ এপ্রিল শেষ হওয়া সপ্তাহে দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ ৫ লাখ ১৫ হাজার ব্যারেল বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৪ কোটি ২৯ লাখ ব্যারেলে। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল ৫ লাখ ৭ হাজার ব্যারেল বৃদ্ধির।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দৈনিক রফতানি ১৮ লাখ ব্যারেল বেড়ে ৫১ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের পর সর্বোচ্চ। তবে রফতানি বাড়লেও মজুদ কেন কমেনি তা ব্যাখ্যা করতে ইআইএ আলাদাভাবে একটি হিসাব দেখিয়েছে, যেখানে প্রতিদিন ৭ লাখ ২২ হাজার ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ঘাটতি ধরা হয়েছে।
জাপানি আর্থিক প্রতিষ্ঠান মিজুহোর জ্বালানি বিশ্লেষক বব ইয়াগার বলেন, ‘প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল রফতানি হলে মজুদ কমার কথা, কিন্তু ইআইএর হিসাবের কারণে সে প্রভাব দেখা যায়নি।’
পেট্রলের মজুদ গত সপ্তাহে ২০ লাখ ব্যারেল কমে ২৩ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা পূর্বাভাসের ১৬ লাখ ব্যারেলের তুলনায় বেশি। ডিজেল ও হিটিং অয়েলসহ ডিস্টিলেটের মজুদ ১৯ লাখ ব্যারেল কমে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৯২ লাখ ব্যারেলে, যা গত বছরের নভেম্বরের পর সর্বনিম্ন।
এছাড়া নিট অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি দৈনিক ২০ লাখ ব্যারেল কমেছে।
ওকলাহোমার কুশিং ডেলিভারি হাবে মজুদ কমেছে ৬ লাখ ৫৪ হাজার ব্যারেল। রিফাইনারিতে জ্বালানি তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কমেছে ৬৩ হাজার ব্যারেল, আর ব্যবহার হার কমেছে দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্ট।